fbpx

পাকিস্তানের মন্দিরগুলোর এখন কী অবস্থা? জেনে নিন…

পাকিস্তানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বহু হিন্দু-জৈন-শিখ উপাসনালয়। স্বাধীনতার পরে‚ দেশভাগের পরে‚ এখন কেমন আছে সেগুলো? চলুন একবার চোখ রাখি।

নিয়ে নিন নিজেই নিজের UK এর হোস্টিং সার্ভিস এই লিংক থেকে এবং এখনই বানিয়ে ফেলুন আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েব সাইট।

VPS Business Hosting Starting at $29.95
Includes 24/7 premium technical support, cPanel/WHM, SSH access. Enter CODE: ‘GREEN’ for 5% OFF

প্রয়োজন এ যোগাযোগ করুন ০১৮২৫৭৮৩৩১০ নম্বর এ

কাতাসরাজ মন্দির : পাঞ্জাব প্রদেশের চকওয়াল জেলার শিবমন্দির। কথিত‚ এখানে অজ্ঞাতবাসের সময় ৪ বছর কাটিয়েছিলেন পাণ্ডবরা। ইতিহাস বলে‚ মূল মন্দির ৯০০ বছরের প্রাচীন। মন্দির প্রাঙ্গণে আছে সুগভীর হ্রদ। এখানেই নাকি যক্ষকে তর্কে পরাজিত করেছিলেন যুধিষ্ঠির। ফিরে পেয়েছিলেন তাঁর চার ভাইয়ের প্রাণ। এই হ্রদ নাকি শিবের চোখের পানি থেকেই তৈরি। সতীর দেহত্যাগের পরে তিনি এত কেঁদেছিলেন‚ তৈরি হয়েছিল এই জলাশয়। কাতসরাজ মন্দির ছাড়াও এখানে আছে আরো বহু হিন্দু মন্দির এবং বৌদ্ধ স্তূপ।

দেশভাগের পরে পরিত্যক্ত হয়ে থাকে এই মন্দির দীর্ঘদিন। হ্রদ পরিণত হয় নোংরা আবর্জনায়। অবশেষে বছর ৯ আগে এই মন্দিরে বিগ্রহ রাখা হয় পাক সরকারের উদ্যোগে। সংস্কার করা হয় মন্দিরসংলগ্ন জলাশয়ের।
হিংলাজ : বালুচিস্তান প্রদেশে অন্যতম সতীপীঠ। কথিত আছে, এখানে পড়েছিল সতীর ছিন্ন মস্তক। রামায়ণ বলে‚ এখানে তপস্যা করেছিলেন রামচন্দ্র। ব্রহ্মহত্যার পাপমুক্ত হতে। কারণ রাবণ ছিলেন ব্রাহ্মণ এবং মহাদেব ও দুর্গার একনিষ্ঠ ভক্ত। মন্দিরটির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। পথের ক্লান্তি ভুলে এই মরুতীর্থে ভারত থেকে তীর্থযাত্রীর সংখ্যাও নগণ্য।

গৌরী মন্দির : নাম গৌরী হলেও এটি জৈন মন্দির। উপাস্য হলেন ২৩তম তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথ বা পরেশনাথ। গম্বুজসমৃদ্ধ এই মন্দিরে দেখবার মতো শিল্পকর্ম হলো ম্যুরাল এবং ফ্রেস্কো। পাকিস্তানের কিছু গান্ধার শিল্প এবং ভারতের ইলোরা বাদে এই ফ্রেস্কো প্রাচীনতম।

মারী ইন্দাস মন্দির : সিন্ধু সভ্যতার অববাহিকায় এই মন্দির নির্মিত হয়েছিল ষষ্ঠ থেকে একাদশ শতকে। দেশভাগের পর থেকে দীর্ঘদিন অবহেলিত হয়ে এককোণে পড়ে আছে এই মন্দির।

সারদাপীঠ : মধ্য এশিয়া থেকে মুসলিম অভিযানের আগে কাশ্মীর উপত্যকা যে বৈদিক শিক্ষার পীঠস্থান ছিল তার সাক্ষী এই মন্দিরের ভগ্নাবশেষ। যা দাঁড়িয়ে আছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। কিষেণগঙ্গা নদীর তীরে এই মন্দির দেবী সরস্বতীকে উৎসর্গ করা। আবার এটি শক্তিপীঠও। এখানে সতীর ডানহাত পড়েছিল বলে বিশ্বাস। আগে স্থানীয় শারদি গ্রামে ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষে বড় মেলা হতো। লোকের ঢল নামত ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে। কুপওয়াড়া থেকে একটা শর্টকাট আছে। মাত্র ৪০ কিলোমিটার। এই পথেই যেতেন পুণ্যার্থীরা। এখন সব অতীত।

Leave a Reply