fbpx

এফবিআইকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা

Namecheap.com

রাশিয়ার সাথে যোগাযোগ নিয়ে এফবিআইকে মিথ্যা তথ্য দেয়ার কথা স্বীকার করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন। মাইকেল ফ্লিন দোষ স্বীকার করতে চান কিনা আদালতের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা স্বীকার করেন। রাশিয়ার সাথে যোগাযোগ নিয়ে স্পেশাল কাউন্সিলর রবার্ট মুলারের তদন্তে এই স্বীকারোক্তি একটি বড় অগ্রগতি বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিয়ে নিন নিজেই নিজের UK এর হোস্টিং সার্ভিস এই লিংক থেকে এবং এখনই বানিয়ে ফেলুন আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েব সাইট।

VPS Business Hosting Starting at $29.95
Includes 24/7 premium technical support, cPanel/WHM, SSH access. Enter CODE: ‘GREEN’ for 5% OFF

প্রয়োজন এ যোগাযোগ করুন ০১৮২৫৭৮৩৩১০ নম্বর এ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়ে ট্রাম্পের আরো ঘনিষ্ঠজনের জড়িত থাকার বিষয়ও এরপর বেরিয়ে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন যখন ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল কোর্টে উপস্থিত হন তখন আদালতের বাইরে তার বিরুদ্ধে চিৎকার করে ওঠেন কিছু প্রতিবাদকারী।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ফ্লিন দোষ স্বীকার করতে চান কিনা আদালতের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সম্মত হন। আদালতের কাছে তিনি জ্ঞাতসারে এফবিআই-এর কাছে মিথ্যা, কাল্পনিক ও প্রতারণামূলক বিবৃতি দেবার কথা স্বীকার করেন। তবে আদালত থেকে বেরিয়ে যাবার সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অবশ্য কিছুই বলেননি ফ্লিন।

২০১৬-র মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ নিয়ে তদন্ত করছেন স্পেশাল কাউন্সিলর রবার্ট মুলার। ফ্লিনের এই স্বীকারোক্তি সেই তদন্তে বড় অগ্রগতি হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। মুলারের তদন্তে তিনি সহায়তা করছেন বলে জানানো হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যমগেুলো বলছে যে, রাশানদের সাথে যোগাযোগ করতে ফ্লিনকে যারা নির্দেশ দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়ের জামাতা জেরাড কুশনারও আছেন- এমন সাক্ষ্য দিতেও প্রস্তুত আছেন মাইকেল ফ্লিন।

সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্রেট মার্ক ওয়ার্নার সাংবাদিকদের বলেছেন যে, সত্য উদঘাটনে প্রয়োজনে কুশনারকে আবারো জেরা করা হবে। ওয়ার্নার বলছেন, ‘আমরা আমাদের নিজস্ব পন্থাতেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। প্রয়োজনে আমরা সকল সাক্ষীর পুন:সাক্ষাতকার নেবো। এমন তালিকায় কুশনারও থাকতে পারেন।’ যদিও হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে, এসব বিষয়ে মাইকেল ফ্লিন কেবল একাই জড়িত।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচার শিবিরের শীর্ষস্থানীয়দের অন্যতম ছিলেন মাইকেল ফ্লিন। ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের আগে রাশিয়ার তৎকালীন রাষ্ট্রদূত সের্গেই কিসলিয়াকের সাথে বৈঠকের বিষয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে মিথ্যা তথ্য দেবার অভিযোগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এফবিআই। এর জের ধরেই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ ছাড়তে বাধ্য হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এই লেফটেন্যান্ট জেনারেল।-বিবিসি।

Namecheap.com

Leave a Reply